সেলিম রেজা | ঢাকা: বাংলাদেশের ব্রাক্ষণবাড়িয়ার আখাউড়ায় চলন্ত ট্রেনের ছাদে টিকটক ভিডিও বানাতে গিয়ে নিচে পড়ে মৃত্যু হল এক তরুণের। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ৩ জন। ঈদের ছুটির তৃতীয় দিনে বুধবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার গঙ্গাসাগর রেলওয়ে স্টেশন অদূরে রেলব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। নিহতের নাম, কাইয়ুম (২৩)। তিনি বাংলাদেশের কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।
বাংলাদেশ পুলিস ও স্থানীয়রা জানান, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ছাদের ওপর কয়েকজন টিকটক ভিডিও বানাচ্ছিলেন। ট্রেনটি রেলব্রিজ এলাকায় পৌঁছলে স্যাটেলাইট ডিশের তারের সঙ্গে পেঁচিয়ে ৪ জন নিচে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। বাকিদের উদ্ধার করে বাংলাদেশের কসবা ও ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
Zee ২৪ ঘণ্টার সব খবরের আপডেটে চোখ রাখতে ফলো করুন Google News
চলতি বছর টিকটকে ভিডিও তৈরি করতে গিয়ে দশজন তরুণ-তরুণী প্রাণ হারিয়েছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। বুধবার সংগঠনটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করা হয়। এতে বলা হয়, গত কয়েক বছর যাবত চিনা শর্ট ভিডিও মেকিং প্ল্যাটফর্ম টিকটকের অপব্যবহার এতটা বেড়েছে যে, এটি বর্তমান প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের জন্য মৃত্যু ফাঁদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
আরও পড়ুন-অপ্রতিরোধ্য পঞ্জাব! লখনউকে হেলায় হারালেন শ্রেয়স আইয়াররা..
আরও পড়ুন-PBKS: প্রীতিদের চরম অপমান পন্থের! পঞ্জাবের ভয়ংকর প্রতিশোধ, আইপিএলে আগুন জ্বলছে…
গত বছর টিকটক ভিডিও তৈরির প্রলোভনে ভারতে তরুণী পাচার করা হয়েছিল। জুন মাসে টিকটকের ফাঁদে ফেলে এক তরুণীকেও ধর্ষণ করা হয়। তাছাড়া পাড়া মহল্লায় কিশোর গ্যাং গড়ে উঠেছে তার অন্যতম কারণ টিকটক।
বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ জি ২৪ ঘন্টার বাংলাদেশ প্রতিনিধিকে টেলিফোনে বলেন, এত তরুণ-তরুণীদের মৃত্যুর কারণ টিকটক হলেও এ পর্যন্ত টিকটক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কোনও অভিভাবক বাংলাদেশে মামলা করেননি। টিকটক বাংলাদেশের লাইসেন্সধারী কোনো প্রতিষ্ঠান নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে অথচ বাংলাদেশ সরকার এ প্ল্যাটফর্ম থেকে কোনো রাজস্ব পায় না।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)