নদিয়া: পঞ্চায়েত প্রধানের শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার SFI নেতা। গ্রেফতার নদিয়ার কালীগঞ্জের SFI নেতা রেজা সেখ। ১৬ তারিখ ওই যুবক সার্টিফিকেট আনতে যান পঞ্চায়েতে। বেশ কিছুদিন ধরে সার্টিফিকেটের জন্য ঘোরাচ্ছিল প্রধান, অভিযোগ সিপিএমের।
১৬ তারিখও প্রধান দেরি করে আসায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন SFI নেতা, দাবি সিপিএমের। তারপরই প্রধানের সঙ্গে SFI নেতার হয় বাদানুবাদ দাবি সিপিএমের। ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে SFI নেতাকে’, দাবি সিপিএমের। ওই SFI নেতা সার্টিফিকেট নিতে এসে দুর্ব্যবহার ও গালিগালাজ করেছে, অভিযোগ প্রধানের।
সম্প্রতি মূক ও বধির এক গৃহবধূকে বাড়িতে ঢুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্তর স্ত্রী মুহুয়ারাপুর পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য। নির্যাতিতা গৃহবধূর স্বামীর অভিযোগ, পুলিশে অভিযোগ করতেই, পাল্টা তাঁদের উপর অত্যাচার চালিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা। অভিযোগ, পানীয় জলের সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। অভিযুক্তকে ভোর রাতে গ্রেফতার করেছিল মুরারই থানার পুলিশ। অভিযোগ উঠেছে সম্প্রতি বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধেও। গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হন এক বিজেপি কর্মী , পাঠানো হল আদালতে। গৃহবধুর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হন অভিযুক্ত। বয়স ৩১।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তের বাড়ি হাবরা থানার গোয়ালবাটি এলাকায়। চলতি মাসের ১১ তারিখ মাঝরাতে গৃহবধূ বাথরুমে যাওয়ার জন্য ঘরের বাইরে যেতেই অভিযুক্ত, তাঁকে রাতের অন্ধকারে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযুক্ত গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব দিচ্ছিল সে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধর্ষণ করে গৃহবধূকে হুমকিও পর্যন্ত দেয় অভিযুক্ত। পরবর্তীতে চলতি মাসের ১৬ তারিখ হাবরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয় অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে। ১৬ তারিখ বিকেলেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।
বারাসাত আদালতে পাঠানো হয়েছিল অভিযুক্তকে । পাশাপাশি অভিযোগকারী গৃহবধূকে এদিন স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছিল হাবরা হাসপাতালে। আদালতে পাঠানোর সময় অভিযুক্ত বিজেপি কর্মী ক্যামেরার সামনে স্বীকার করেছিল সে বিজেপি করে। পাশাপাশি তিনি জানান, তাকে ফাঁসানো হয়েছে । সঠিক তদন্তের দাবি করেছিলেন। বিজেপি কর্মী গ্রেফতারের ঘটনায় ইতিমধ্যে শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা।
আরও পড়ুন, প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে সংসার পেতেছিল স্ত্রী ! মেনে নিতে পারলেন না স্বামী, মর্মান্তিক ঘটনা উত্তর ২৪ পরগনায়..
পৌরসভার চেয়ারম্যান নারায়ণ শাহ জানিয়েছিলেন,’ শুনেছি হাবরা থানায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত বিজেপি কর্মী গ্রেফতার হয়েছে। আইন আইনের পথে চলবে। এই নিয়ে কথা বলেছিলাম আমরা।’বিজেপি নেতা বিপ্লব হালদার জানান, যদি অভিযুক্ত দোষী হয়, আইন আইনের পথে চলবে। পাশাপাশি সঠিক তদন্তের দাবি করেছিলেন তিনি।
আরও দেখুন