Bike Taxi Banned: ৬ সপ্তাহের মধ্যেই বাইক ট্যাক্সি পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাবে এই রাজ্যে। রাপিডো সহ অন্যান্য ক্যাব এগ্রিগেটরদের (Bike Taxi) বন্ধ করতে হবে ব্যবসা। নির্দেশিকা জারি করেছে কর্ণাটক (Karnataka HC) আদালত। গত বুধবার কর্ণাটক উচ্চ আদালতে বিচারক বি শ্যাম প্রসাদ এই নির্দেশ জারি করেছেন। এই সেক্টরের সমস্ত সংস্থার কাছেই এই নির্দেশ এক বড় ধাক্কা।
রাপিডোর মূল সংস্থা রোপিন ট্রান্সপোর্টেশন সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড, উবার এবং ওলার মত প্রথম সারির রাইড-হেলিং প্ল্যাটফর্মগুলির আবেদন খারিজ করা হয়েছে। এবং তারপরেই আদালতের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। এই সংস্থাগুলি একটি সম্মিলিত পিটিশনে বাইক ট্যাক্সি পরিষেবার জন্য সরকারি স্বীকৃতি চেয়েছিল। কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল যাতে আইসিই টু-হুইলারগুলিকে নিবন্ধনের অনুমোদন দেওয়া হয়।
উপরন্তু সংস্থাগুলি এই বাইক ট্যাক্সি পরিষেবা পরিচালনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রক কাঠামোর জন্য আবেদন করেছিল। এমনকী দাবি জানানো হয়েছিল যে এই বাইক ট্যাক্সি পরিষেবাকে আইনত নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দেওয়া দরকার। এর আগে রাপিডোর পক্ষ থেকে কর্ণাটকের উচ্চ আদালতের কাছে আবেদন করা হয়েছিল যাতে কর্তৃপক্ষ তাদের এই বাইক ট্যাক্সির ব্যবসায় কোনওভাবেই হস্তক্ষেপ না করে।
বাইক ট্যাক্সিগুলি সাধারণত অনেক কম খরচে যাতায়াতে সুবিধে দেয়। তবে ২০২৪ সালে কর্ণাটক আদালত বাইক ট্যাক্সির নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। সেই সময় থেকেই মহারাষ্ট্র, দিল্লি ও অসমে বাইক ট্যাক্সি পরিষেবাদাতা সংস্থাগুলি আইনি জটিলতায় রয়েছে। কারণ আইনিভাবে এই বাইক ট্যাক্সিগুলিকে লাইসেন্স বা পারমিট দেওয়া হয়নি। তবে ১ এপ্রিল থেকে মহারাষ্ট্র সরকার বাইক ট্যাক্সিগুলিকে রাজ্যে চালানোর জন্য বিশেষ কিছু শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন দেয়। আদালতে কর্ণাটক সরকার এই যুক্তি দেখিয়েছিল যে সাদা নম্বর প্লেট সহ বাইক ট্যাক্সিগুলি সরাসরি নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। আর এই ধরনের বাইক ট্যাক্সিগুলিতে সুরক্ষা ব্যবস্থার অভাব রয়েছে।
রাপিডো সংস্থার পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘কর্ণাটক আদালত ৬ সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য থেকে বাইক ট্যাক্সি পরিষেবা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। কর্ণাটক ভিত্তিক সংস্থা রাপিডো লক্ষ লক্ষ বাইক ট্যাক্সি চালক ক্যাব চালকদের জীবন নিয়ে চিন্তিত। এমনকী এই রায় ঘোষণার পরে আইনিভাবে কী কী পদক্ষেপ করা যায় তা নিয়ে ভেবে দেখবে সংস্থা।’
আরও দেখুন