NOW READING:
ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরই অসুস্থ! অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য বর্ধমান মেডিক্যালে
March 4, 2025

ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরই অসুস্থ! অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য বর্ধমান মেডিক্যালে

ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরই অসুস্থ! অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য বর্ধমান মেডিক্যালে
Listen to this article



<p><strong>কলকাতা: </strong>বর্ধমান মেডিক্যালে এবার ইঞ্জেকশন-বিভ্রাটের অভিযোগ। পরিবারের দাবি, ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন বেশ কয়েকজন প্রসূতি। ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর শুরু শ্বাসকষ্ট ও কাঁপুনি হয়। ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করল বর্ধমান মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ।</p>
<p>ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরই একের পর এক প্রসূতির অসুস্থ হয়ে পড়ার অভিযোগ। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে ‘ভুল ইনজেকশন’ দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে, তদন্ত কমিটি গঠন করল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রোগীর পরিবারের অভিযোগ, সোমবার বিকেলে প্রসূতি বিভাগের একাধিক রোগীকে তিনটি করে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। নার্স ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরই শ্বাসকষ্ট, কাঁপুনি-সহ বিভিন্ন সমস্যা শুরু হয় রোগীদের। সঙ্গে সঙ্গে প্রসূতি বিভাগে আসেন চিকিৎসকরা। জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়। এক রোগীর আত্মীয় বলেন, "মোটামুটি গোটাটাই। মানে ১২ জনের হতে হতে গোটাটাই হয়ে গেছে। যতজনকে দিয়েছে সবারই হয়েছ। আমি খবর পেলাম। ওপর থেকে এল যে ভুল ইঞ্জেকশন দিয়েছে। সেই কারণে এটা হয়েছে।” আরেক নূরজাহান বিবি বলেন, "কাঁপুনি হচ্ছিল। জ্বর হচ্ছিল খুব। আমি যখন গেলাম তখনও দেখলাম খুব কাঁপুনি হচ্ছে। ট্রিটমেন্ট হয়তো উল্টোপাল্টা হয়েছে তারজন্যই হয়েছে এরকম।”<strong><br /></strong><br />ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর সমস্যা দেখা দিয়েছিল বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও। তবে কী থেকে এই সমস্যা হল, তা জানতে ইঞ্জেকশনের নমুনা পাঠানো হবে পরীক্ষার জন্য। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি। আপাতত রোগীদেরকে দেওয়া হচ্ছে না নির্দিষ্ট ব্যাচ নম্বরের ওই ইঞ্জেকশন। অধ্যক্ষ মৌসুমী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছিল এবং ইনজেকশনের কিছুটা পরে পরেই কিছু ডিসকমফর্ট হয়েছিল পেশেন্টদের। আজকে সকাল অবধি আমাদের সমস্ত পেশেন্ট স্টেবল আছে। কারও কোনও প্রবলেম হয়নি। এটা আমরা তদন্ত করে দেখব কী থেকে হয়েছে।”</p>
<p>এদিকে কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোলের পরীক্ষায় গুণমানের নিরিখে ফেল দেশের ১৪৪টি ওষুধ। প্যারাসিটামল থেকে শুরু করে অ্যান্টিবায়োটিক, প্রেশার, থাইরয়েড, নিউমোনিয়া, নার্ভ থেকে হার্টের অসুখের ওষুধ, কী নেই সেই তালিকায়। কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোলের পরীক্ষায় ফেল করা বেশিরভাগ ওষুধই নামী সংস্থার বহুল প্রচলিত ব্র্যান্ডের। জানুয়ারি মাসে দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজ্যে র&zwj;্যানডম স্যাম্পল টেস্ট করে সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্য়ান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন। প্রত্যেক রাজ্যের ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবে ওই পরীক্ষা হয়। সেই পরীক্ষাতেই গুণমানে ফেল করেছে আরও ৯৩টি ওষুধ। এর আগে ৫১টি ওষুধ ফেল করার কথা জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল। অর্থাৎ, সব মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়াল ১৪৪। এর মধ্যে ২৬টি ওষুধের নমুনা ফেল করেছে কলকাতায় রাজ্যের ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবে। কলকাতায় যে ওষুধগুলো ফেল করেছে, তার মধ্যে রয়েছে ব্যথা কমানোর মেরোপেনাম, লিভারের অসুখে ব্যবহার হওয়া ওষুধ, স্ত্রীরোগে ব্যবহৃত হওয়া ওষুধ, ত্বকের &nbsp;অসুখে ব্যবহার হওয়া ওষুধ। কোনও কোনও নমুনা স্টেরিলিটি পরীক্ষায় ফেল করেছে। কোনও কোনও নমুনাতে আবার মিলেছে ব্যাকটেরিয়া। ৮টি ওষুধকে সরাসরি ব্যবহারের অযোগ্য বলে ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল সংস্থা। চিনের গুয়াংঝাউ থেকে আসা চুলের কালার ফেল করেছে চেন্নাইয়ের ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবে।&nbsp;<br /><br /><strong>আরও পড়ুন: <a title="Jadavpur University: যাদবপুরে ঢুকতে বাধা, সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের হুমকি ABVP-র" href="https://bengali.abplive.com/district/jadavpur-university-abvp-surgical-strike-threat-entry-prohibited-to-university-1123248" target="_self">Jadavpur University: যাদবপুরে ঢুকতে বাধা, সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের হুমকি ABVP-র</a></strong></p>



Source link